টাটকা খবর

কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ বিজ্ঞানীরা যা অসম্ভব ঘোষণা করেছিল তাই করে দেখালো মোদী সরকার! ১৬ কন্টেনার নিয়ে কলকাতা থেকে বারাণসীর যাত্রা শুরু।

২০১৪ সালে কেন্দ্রে মোদী সরকার আসার পর থেকে একের পর এক উন্নয়নমুখী সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছে। দেশ কে যেমন সামরিক দিক দিয়ে উন্নত করে তুলছে ঠিক সেইরকমই দেশের বাণিজ্যিক দিকেও সমানভাবে নজর রেখেছেন মোদী সরকার। বাণিজ্যিক উন্নতির জন্যই মোদী সরকার আসার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, বারাণসী থেকে হলদিয়া অবদি গঙ্গা পথে পরিবহণ ব্যাবস্থা শুরু করবেন। কিন্তু মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে অসম্ভব বলে দাবি করেছিলেন নিজেদের বিজ্ঞানী বলে দাবি করা কিছু বুদ্ধিজীবী। জানলে অবাক হবেন যে, নীতিন গতকারি তথা সেন্ট্রাল শিপিং ও জল সম্পদমন্ত্রী তিনি তথাকথিত বিজ্ঞানীদের এই অসম্ভব বলা কাজটিকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন।

উনি টুইট করে জানিয়েছেন যে, পণ্যবাহী জাহাজের যাতাযাতের জন্য সমস্তরকম ব্যাবস্থা ইতিমধ্যেই করে ফেলা হয়েছে কলকাতা থেকে বারানসির মধ্যে। এই সুন্দর প্রকল্পটি উদ্ধোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী মহাশয় আগামী ১২ ই নভেম্বর। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, স্বাধীনতার পর থেকে এইরকম পণ্যবাহী জাহাজের যাতাযাতের ব্যাবস্থা আগে কোনো দিন হয় নি। কারন কংগ্রেসে পালিত বিজ্ঞানীরা বরাবর বলে এসেছে যে, এটা কোনো ভাবেই সম্ভব নয় কিন্তু এবার মোদী সরকার করে দেখালেন এক চমক এই অসম্ভব কে সম্ভব করে।

সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হল যে বাংলার প্রতি বিজেপি তথা মোদীজির যে এক অন্য ভালোবাসা রয়েছে সেটাও প্রমান হয়েছে। কারন এই গুরুত্বপূর্ণ জাহাজের নাম রাখা হয়েছে এমভি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দিক দিয়েও কারন এই জাহাজটি চলবে বারানসি থেকে অর্থাৎ এই বারানসি হল মোদীজির সংসদীয় এলাকা অপর দিকে জাহাজটি যাবে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায়।

এই কলকাতাতে বর্তমানে বিজেপি নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। গোপাল কৃষ্ণ যিনি হলেন নৌপরিবহন সচিব তিনি এই জাহাজ চলাচলের ব্যাপারে সম্মতি দিয়ে জানিয়েছেন যে এই জাহাজ চালু করার ফলে ভারতীয় পরিবহন ব্যাবস্থায় বেশ সুবিধা হবে। এই জাহাজে একসাথে ১৬ টি ট্রাকের পন্য নিয়ে যাওয়া যাবে। বারানসি থেকে কলকাতা পন্য নিয়ে যাবার জন্য এই জাহাজ সময় নেবে ৯ দিন। কিন্তু এটা যদি স্থলপথে নিয়ে যাওয়া হত তাহলে অনেক বেশি সময় এবং অর্থ ব্যয় হত বলে জানা গিয়েছে।

এই জাহাজটি সম্পূর্ণরুপে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। এই জাহাজের পথ বিস্তৃত হয়েছে ১৩৯০ কিলোমিটার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রালয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, এই জাহাজ শুধুমাত্র পন্যবহন কাজেই ব্যাবহার করা হবে না বরং পর্যটন ক্ষেত্রেও কাজে লাগবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে এই জাহাজের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ এককথায় বলায় যায় যে, বিজ্ঞানীরা যতই অসম্ভব বলুক না কেন দেশের উন্নতির জন্য মোদী সরকার সবকিছুই সম্ভব করে দেখাবেন।
#অগ্নিপুত্র

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close