টাটকা খবর

আতঙ্কবাদী গাজী সালার মাসুদের মাজারের জায়গায় সূর্য মন্দির করার দাবিকে সমর্থন করলেন যোগী আদিত্যনাথ।

উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ এ একটা মাজার রয়েছে যেটার নাম গাজী সালার মাসুদ মাজার। এই মাজারকে মুসলিমরা ছাড়াও বহু হিন্দুরাও যান এবং দান করেন। হিন্দুরা এই মাজারকে গাজী বাবার পীঠ বলে অভিহিত করে। এই মাজার গাজী সালার মাসুদ এর কবরস্থান। পাঠকদের জানিয়ে দি, গাজী সালার মাসুদ একজন আতঙ্কবাদী ছিল। কিন্তু মূর্খ হিন্দুরা এই আতঙ্কবাদীর কবরস্থানে গিয়ে নিজেদের অর্থ দান করে আসে। গাজী সালার মাসুদ ভারত আক্রমনকারী গজনীর এক মামা ছিল। গজনী ভারত আক্রমণ করার পর গাজী সালার মাসুদ জানতে পারে যে ভারতে প্রচুর ধনসম্পত্তি রয়েছে। গাজী সালার মাসুদ ৩ লক্ষ ইসলামিক সেনা নিয়ে ভারত আক্রমন করেছিল। গজনী সোমনাথ মন্দিরের দিশায় যাবার সিধান্ত করেছিল এবং তার মামা গাজী সালার মাসুদ অযোধ্যায় দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ পৌঁছান পর্যন্ত গাজী সালার মাসুদ ও তার সেনা ১০ লক্ষ হিন্দুকে হত্যা করেছিল। এরপর তৎকালীন এক রাজা সোহেল দেব পাসি ১৬ টি রাজ্যকে এক করে ইসলামিক জিহাদি গাজী সালার মাসুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। যুদ্ধে ৩ লক্ষ ইসলামিক সেনাকে পুরোপুরি মেরে ফেলা হয়েছিল একইসাথে গাজী সালার মাসুদকে হত্যা করে উত্তরপ্রদেশের মাটিতেই পুঁতে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়কালে আরো বেশি পরিমাণে ইসলামিক আক্রমন ভারতে হয়েছিল। ইসলামিক আক্রমকরা বাহরাইচ এ একটা সূর্য মন্দিরকে ধ্বংস করে সেখানে গাজী সালার মাসুদের মাজার প্রতিষ্ঠা করেছিল।

মহারাজ সোহেলদেবের মূর্তির সামনে অমিত শাহ

এখন এই মাজারে হিন্দুরা গাজী বাবা, গাজী বাবা করে চিৎকার করে দান দিয়ে আসে।অবশ্য এই সমস্থ ইতিহাস এখন কোনো পাঠ্যবইতে নেই কারণ ভারতের পাঠ্যপুস্তক থেকে আসল ইতিহাসকে মুছে দেওয়া হয়েছে। জানিয়ে দি এখন বিশ্বহিন্দু পরিষদ গাজী মাজার উপড়ে ফেলে সূর্য মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে। সবথেকে বড়ো ব্যাপার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ এই দাবির খোলাখুলি সমর্থন করেছেন।

Yogi Adityanath

প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহও আগে এই ব্যাপারে প্রসঙ্গ উঠিছিলেন। যোগী আদিত্য সূর্য মন্দিরের প্রসঙ্গ তুলে বলেছেন মহারাজ সোহেল দেবকে ইতিহাস থেকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন যোগী আদিত্যানাথ জানিয়েছেন হিন্দুদের দাবি পূরণ করা হবে। রাম মন্দিরের ইস্যু মিটে গেলেই সরকার এই ইস্যুতে কাজ শুরু করে দেবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close