টাটকা খবর

দীপাবলিতে বেঁধে রাখা গেল না হিন্দুদের! ভোররাত অবধি জনতা জমিয়ে ফাটালো বাজি!

প্রথমত আপনাদের জানিয়ে দি, বায়ু দূষণের সাথে দীপাবলীর ফটকা/বাজি ফাটানোর কোনো সম্পর্ক নেই। আসলে সমস্থটাই হিন্দু বিরোধীদের ষড়যন্ত্র। ধনতেরাসের দিন দিল্লিতে সবথেকে বেশি দূষণ ছিল কিন্তু সেদিন দিল্লিতে কোনো বাজি ফাটানো হয়নি। মাত্র ১ দিনের বাজিতে কখনোই সারা বছরের দূষণ বেড়ে যায় না কিন্তু জেনে বুঝে হিন্দু উৎসবে ফটকা ফাটানোকে বায়ুদূষনের মুখ্য কারণ বলা হয়। অন্য যেকোনো সম্প্রদায়ের উৎসবে ফাটানো বাজিতে শব্দদূষণ বা বায়ু দূষণ দেখতে না পেলেও আদালতের বিচারপতিরা ও বিক্রীত তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা দীপাবলীর বাজিতে শব্দ দূষণ ও বায়ুদূষণ দেখতে পেয়ে যায়।

এই মানসিকতা নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের বিচাপতিরা দিপাবলীতে ফটকা ফাটানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। আদালতের বিচারপতিরা দীপাবলিতে বাজি ফাটানোর জন্য রাত ৮ থেকে রাত ১০ টা পর্য্যন্ত অর্থাৎ মাত্র ২ ঘন্টা বাজি/ফটকা ফাটানোর অনুমতি দিয়েছিল। জানিয়ে দি, দেশের হিন্দুদের উপর জোর করে লাগানো এই প্রতিবন্ধকতা মোটেও কাজ করেনি।

বিচারপতিদের লাগানো প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও দেশের প্রত্যেক রাজ্যের হিন্দুরা বিকেল ৫-৬ থেকে ভোর রাত অবধি টানা বাজি/ ফটকা বাজিয়েছিল। যখন রাত ১২ টা তখন দিল্লি সহ বড়ো শহরগুলিতে হিন্দুরা বেশ উৎসাহ সহ বাজি ফাটিয়ে আনন্দে মেতেছিল। এই নিয়ে দেশের কিছু বুদ্ধিজীবী ও বামপন্থী সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুদের উপর চরম ক্ষোপ প্রদর্শন করেছে। হিন্দুরা বুঝিয়ে দিয়েছে যে হিন্দুদের মন অনেক বড়ো কিন্তু যদি হিন্দুদের গলায় চাপ দেওয়া শুরু হয় তাহলে উত্তর অব্যশই আসবে। ভোররাত অবধি বাজি ফাটিয়ে নিজেদের অধিকার কেড়ে নিল বহুসংখ্যক হিন্দু সমাজ।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, রামমন্দিরের ইস্যুতে বিচার করার জন্য বিচারপতিদের কাছে সময় না থাকলেও হিন্দুদের উৎসবে আনন্দ করার উপর প্রতিবন্ধকতা লাগানোর সময় রয়েছে ইনাদের কাছে। এই নিয়ে কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জোর তোর ক্ষোপ প্রদর্শন করেছিল হিন্দুত্ববাদী ও রাষ্ট্রবাদীরা। তবে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নয় সরাসরি নিজেরদের অধিকার পালন করলো হিন্দু সমাজ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close