JNU তে বামপন্থী ছেড়ে রাষ্ট্রবাদের দিকে ঝুঁকছে ছাত্রছাত্রীরা! ছবি বলে দিচ্ছে সবকিছু….

দিল্লির JNU অর্থাৎ জওহরলাল নেহেরু বিশ্ব বিদ্যালয়ের নাম শুনলেই আপনার মাথায় দেশদ্রোহ, নকশালবাদ, আতঙ্কবাদ এই সমস্ত ব্যাপার নিশ্চয় আসে। আসলে এই ইউনিভার্সিটির নাম এমন ব্যাক্তির নামে রয়েছে যাকে অনেকে ‘গাদ্দার-এ-হিন্দ’ অর্থাৎ ভারতের দেশদ্রোহী বলে আখ্যা দেয়। এই ইউনিভার্সিটি বরাবর থেকেই বামপন্থীদের কব্জায় রয়েছে। ফ্রী সেক্স এর দাবি তোলা বামপন্থীরা JNU তে ব্যাপকভাবে নিজেদের ঘাঁটি গেঁড়ে রেখেছে। বামপন্থীদের ফ্রী সেক্স এর দাবি তোলা গ্যাং JNU তে আগত নতুন পড়ুয়াদের টার্গেট করে এবং ব্রেন ওয়াশ করে নিজেদের গ্যাং এ সামিল করে নেয়। JNU এর অধিকাংশ বামপন্থীর এই কাহিনী। ছোট ছোট শহর থেকে আসা যুবক যুবতীর টার্গেট করে বামপন্থীদের সেক্স ফ্রী গ্যাং।

বামপন্থীদের এই এজেন্ডা দশক দগরে চলেছে কিন্তু ২০১৪ এর পর থেকে অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। মোদী সরকার কিভাবে JNU এর ছাত্রদের মধ্যে বামপন্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রবাদ ঢুকিয়ে দেওয়ার কাজ করেছে তা আমাদের পাঠকরা ভালো করেই জানে। এটা সত্য যে রাষ্ট্রবাদ, দেশভক্ত এর তুলনায় ফ্রী সেক্স যুবকদের বেশি প্রভাবিত করে।

কিন্তু তার সাথে এটাও ঠিক যে, শেষ অবধি সত্যের জয় এবং খারাপের পরাজয় হয়। মোদী সরকারের কাজের ফলে যে JNU তে লাগাতার পরিবর্তন হচ্ছে তার প্রমান এদিন হাতে নাতে পাওয়া গেল। বৃহস্পতিবার দিন বড়ো বামপন্থী নেতা প্রকাশ কারাত নামে এক বামপন্থী নেতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন।

যেখানে উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীদের সংখ্যা হাতে গোনা ছিল। অন্যদিকে শুক্রুবার দিন নানা বিরোধ থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রবাদী নেতা সুব্রামানিয়াম স্বামী JNU তে সভা করেন। সুব্রামানিয়াম স্বামীর অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিতি দেখার মতো ছিল। শুক্রুবার সুব্রামানিয়াম স্বামীর অনুষ্ঠান পরিষ্কার করে দেয় যে এবার JNU তে রাষ্ট্রবাদ, ফ্রী সেক্স গ্যাং এর উপর ভারী পড়ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Close