অযোধ্যায় রাম মন্দিরের দাবিতে রাজধানী কাঁপিয়ে দিলো সংঘ পরিবার !

এবার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে সংসদে। আর এই অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এক বিরাট সমাবেশ করল অযোধ্যা এবং দিল্লী জুড়ে। আর এইদিনের এই সমাবেশে প্রায় দেড় লক্ষের বেশি মানুষ একসাথে জড়ো হয়েছিল রামলীলা ময়দানে শুধুমাত্র বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ডাকে।

এই দিনের এই সভা কে আরো বেশি জোরদার করার জন্য বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এর পাশাপাশি সেই সভায় তাদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন আর.এস.এস। তারা এদিন রামলীলা ময়দানে সভা করে একত্রে দাবি তোলেন যে সমস্ত আইনি জটিলতা দূর করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু করতে হবে।

সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে আগামী সোমবার থেকে। আর এটাই হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের আগে সংসদের শেষ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন। তাই দেশের বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন গুলি চাইছেন যে এই সময় সরকারের উপর চাপ বাড়াতে। এই দিন মানুষের ভিড় এতটাই হয়ে গিয়েছিল লাল কেল্লার বাইরে, যে পুলিশ বাধ্য হয়ে প্রবেশ গেটটি বন্ধ করে দেন। এরপরই সেখানকার মানুষজন পুলিশের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে গেট খুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু পুলিশ এবং গেটরক্ষীরা নিজেদের কাজটি যথাযথ ভাবে পালন করেন।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দাবি করেছেন যে এই দিন রামলীলা ময়দানে মানুষ এসেছিল মূলত দিল্লি সংলগ্ন গৌতম বুদ্ধ নগর, মিরট, গাজিয়াবাদ, বাঘপত থেকে। দেশের শীর্ষ আদালত নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছেন যে, এই মামলার রায় বেরতে পারে জানুয়ারি মাসে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন গুলির এই মামলায় কোনো প্রকার আর দেরি করতে চাইছেন না। তাদের দাবি মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে যাক আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগেই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মাসেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এর তরফ থেকে একটা বিশেষ ধর্মীয় জমায়েত আয়োজন করা হয়েছিল অযোধ্যায়। সেখানে জমায়েত হয়েছিল প্রায় লক্ষ্য লক্ষ্য সাধু সন্ন্যাসী। সেখানে স্বামী রাম ভদ্রাচার্জ নামে এক সাধু দাবি করেন যে, কেন্দ্রের এক মন্ত্ৰী তাদের কে রাম মন্দির নির্মাণের ব্যাপারে আশ্বস্থ করেছেন। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, যে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হল তাদের ভোটের ফলাফল বেরোবে আগামী ১১ ই ডিসেম্বর এবং তারপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ব্যাপারে একটা বড়ো সিদ্ধান্ত নেবেন।
#অগ্নিপুত্র

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close