বড় খবর : ২০১৪ সালে বিজেপি জয়ের মূল কারিগর আরো একবার হাজির দেশ জয়ের নতুন প্ল্যান নিয়ে। Bengali News

২০১৪ সালে যখন দেশের ক্ষমতায় বিজেপি এসেছিল তখন সমস্ত বিজেপি নেতারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে বিজেপি নেতামন্ত্রীদের পাশাপাশি  বিজেপি কে জেতানোর দায়িত্ব ছিল আরও একজনের কাঁদে। আবার সেই এক ব্যাক্তির কাঁদের উপর ভর করেই বিহারের মহাজোট হারিয়ে ছিল বিজেপি কে এবং বিহারে সরকার গঠন করেছিল মহাজোট। সেই ব্যক্তি হলেন প্রশান্ত কিশোর। এই প্রশান্ত কিশোরই ২০১৪ সালে বিজেপির জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিলেন। আবার তিনি নিজেই ভবিষ্যৎবাণী করে জানিয়ে দিলেন যে ২০১৯ সালে ফের একবার ভারতবর্ষের ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। আর উনার করা ভবিষ্যৎবানী কে এত গুরুত্ব দেওয়ার কারণ ভারতের রাজনীতির উপর উনার বিশেষ জ্ঞান।

কিছুদিন আগে দেশের পাঁচটি রাজ্যে একসাথে বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আর সেখানে বিজেপি কে হারের সামনে পড়তে হয়। এরফলে বিজেপি শিবিরে কিছুটা চিন্তার ভাঁজ পরে কিন্তু সেই সাথেই বিজেপি কে স্বস্তির নিশ্বাস দেয় অসমের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল। এর সাথে বিজেপি শিবিরের কাছে আরও একটি স্বস্থির খবর হল রাফায়েল নিয়ে আদালতের রায়। কারণ সেই রায় বিজেপির পক্ষেই গিয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের রায়ে পরিস্কার হয়ে গিয়েছে যে, রাফায়েল নিয়ে কোনো দুর্নীতি করে নি বিজেপি বরং কংগ্রেস মিথ্যা প্রচার চালিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।এই পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কেন এত খারাপ ফলাফল করল? কেন হারের মুখে পড়তে হল বিজেপি কে? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজেপি নেতাদের কাছে উঠে আসছে যেসব বিষয় সেগুলি হল নোটাতে ভোট বেশি পড়া, রাফেল নিয়ে মানুষের মনে ভুল ধারনা বসে যাওয়া, এবং নিজেদের কাজের সঠিক প্রচার না করা। এবং এই বিষয় গুলি নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি শিবির।

কিন্তু এইসব বিষয় কে গুরুত্ব না দিয়ে প্রশান্ত কুমারের মতে মাত্র এই পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল কখনই নরেন্দ্র মোদীর মত একজন সৎ সাহসী প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা বিচার করতে পারে না। সেই সাথে তিনি এটাও বলেন যে, বিজেপির ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন জয়ের মাপকাঠি এই রাজ্য গুলির বিধানসভা নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে না।এই প্রশান্ত কুমারের উপরই ছিল ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের বিজেপর হয়ে প্রচারের মূল দায়িত্ব। ইনি বিজেপির প্রচারে  সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রচারের নানান কৌশল তৈরি করেছিলেন এই প্রশান্ত বাবু। প্রচারে জোর বাড়ানোর জন্য ইনি নানান আকর্ষণীয় স্লোগান তৈরি করেছিলেন। যেগুলি দেশের সাধারণ মানুষ কে বিজেপির দিকে বাড়তি আকর্ষণ করেছিল। তিনি জানিয়েছেন যে, আমি দেশের সমস্ত জায়গা ঘুরে দেখে এসেছি এবং সমস্ত জায়গা ঘুরে আমি এটাই বুঝেছি যে, দেশের সাধারণ জনগনের কাছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এছাড়াও তিনি বলেন অন্যান্য সমস্ত নেতামন্ত্রীরা মোদীজির ধারে কাছেও নেই। সেই সাথে উনি জানিয়েছেন যে, দেশের উন্নয়নই হল বিজেপির মূল লক্ষ্য, এই কারণে ২০১৯ সালে ফের একবার দেশের ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি।

#অগ্নিপুত্র

Related Articles

Leave a Reply

Close