মোদী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, এবার থেকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে পেনশন পাবে শ্রমিক ও মজদুরেরাও



অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মজদুরদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকার পেনশন দেবে নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সরকার। ক্যাবিনেট এর প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শ্রম মন্ত্রী সন্তোষ গ্যাংওয়ার (Santosh Gangwar) মন্ত্রালয়ের দ্বায়িত্ব নেওয়ার পরেই এই প্রস্তাবে নিজের স্বাক্ষর করেন। এই যোজনা অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ফেরি করা, রিক্সা চালানো, ঠেলা গাড়ি চালানো, শ্রমিক, রাজমিস্ত্রির মত এরকম ১২৭ টি অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা শ্রমিকদের ৬০ বছর পর ৩০০০ টাকা মাসিক পেনশন দেবে মোদী সরকার। যোজনা অনুযায়ী, ১৫ হাজার পর্যন্ত মাসিক আয় করা ১৮ থেকে ৪০ বছরের অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা শ্রমিকেরা এই সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

প্রকল্প অনুযায়ী শ্রমিকেরা তাঁদের বয়সের অনুপাতে প্রতি মাসে একটি নিশ্চিত রাশির প্রিমিয়াম জমা দেবেন। যত প্রিমিয়াম তাঁরা জমা দেবেন, ততটাই রাশি সরকার সরকার তাঁদের দেবে। নুন্যতম মাসিক প্রিমিয়াম ৫৫ টাকা আর সর্বাধিক ২০০ টাকা প্রতি মাসে জমা করার পর ব্যাক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে অটো ডেবিট হয়ে যাবে। ওই অ্যাকাউন্টে সরকারও ওই সমপরিমাণ টাকা জমা দেবে।

এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত এক কোটি শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত হওয়ার অনুমান আছে। আর ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৫ কোটি পর্যন্ত এই সংখ্যা পৌঁছে যাবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, সরকার ২০১৯ – ২০ এর অন্তিম বাজেটে জানিয়েছিল যে , এই প্রকল্প অনুযায়ী পাঁচ বছরে সরকার কমপক্ষে ১০ কোটি শ্রমিক আর কাজের মানুষদের নাম ঢোকানর লক্ষ্য রেখেছে।

আরেকদিকে সরকার শহীদ পুলিশ কর্মীদের সন্তানদের সহায়তা রাশি ২০০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫০০ প্রতিমাস করেছে। আরেকদিকে শহীদ পুলিশ কর্মীর কন্যাদের সাহায্য প্রাপ্ত রাশি ২২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০০ টাকা প্রতিমাস করে দেওয়া হয়েছে। আরেকদিকে কেন্দ্র সরকার দেশের প্রায় ১৫ কোটি ছোট এবং বড় কৃষককে প্রতি বছর তাঁদের ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টে ছয় হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সুবিধা কেবল মাত্র দেশের ক্ষুদ্র কৃষকেরাই পেতো। কিন্তু এখন সরকার এই সুবিধা দেশের প্রতিটি কৃষকের জন্য শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close