আদিবাসীদের জমি কবজা করতে এসেছিল কট্টরপন্থীরা! তির ধনুক নিয়ে লড়াই করে জমি বাঁচালো আদিবাসীরা।



বিহারের কৃষণগঞ্জ থেকে একটা বড় খবর সামনে আসছে। খুব শীঘ্রই মিডিয়া এই খবর নিয়ে কান্নাকাটি শুরু করতে পারে। তবে যে খবর সামনে আসছে তার সত্যতা অবশ্যই জানা উচিত। কৃষণগঞ্জে আদিবাদী ও কট্টরপন্থী জমি জিহাদকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। জানিয়ে দি, কৃষণগঞ্জে হিন্দু সংখ্যা ৩০% এর নীচে যেতে শুরু করে দিয়েছে। হিন্দুদের সংখ্যা দিন দিন কমতে শুরু করেছে। যে কিছু সংখ্যক হিন্দু বেঁচে আছে তাদের পরিস্থিতিও কৈরানার মতো।

কৃষণগঞ্জে এখন AIMIM ও খুব সক্রিয় হয়ে উঠছে। যার জন্য হিন্দুদের উপর গুন্ডাদের অত্যাচার খুবই সাধারণ বিষয়। কৃষণগঞ্জের  ঠাকুরগঞ্জ থানার অন্তর্ভুক্ত ধুলাবাড়ি চা বাগানে আদিবাসীদের জমির উপর কবজ করার চেষ্টা করছিল জমি জিহাদিরা। নামাজ পড়ার নাম করে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছিল। সোজা কথায় ল্যান্ড জিহাদের ধান্দায় ছিল কট্টরপন্থীরা। আদিবাসীরা এই ঘটনার বিরোধ করে, কারণ তারা ভালোভাবে জানতো যে নামাজ পড়ার সুযোগ দিলেই ধীরে ধীরে ওই জমি হাতিয়ে নেওয়া হবে।

আদিবাসীরা নামাজ পড়ার জন্য জমি দিতে অস্বীকার করে দেয়। যারপর সেই নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। জিহাদিরা বেশি সংখ্যায় এসে আদিবাসীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। তখন আদিবাসীরা লড়াই করার সিদ্ধান্ত করে নেয়। আদিবাসীরা নিজেদের তির ধনুক নিয়ে জিহাদিদের সামনে হাজির হয়ে যায়। জমি রক্ষার জন্য একত্রিত হয়ে মাঠে নেমে পড়ে আদিবাসীরা। এই সংঘর্ষে বেশকিছু জিহাদী কট্টরপন্থীকে আহত করে দেয় আদিবাসীরা। অনেকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। অবশ্য সংঘর্ষে কারোর প্রাণ যায়নি।

আদিবাসীরা তাদের মাতৃভূমি তথা জমির রক্ষার জন্য সংঘর্ষ করে এবং জমিকে বাঁচিয়ে নেয়। এলাকা এখন উত্তপ্ত রয়েছে, বহু সংখ্যায় পুলিশকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষ এর কারণ কট্টরপন্থীরা নিজেদের সংখ্যার ভয় দেখিয়ে আদিবাসীদের জমির উপর নামাজ পড়তে চেয়েছিল। কিন্তু আদিবাসীরা ল্যান্ড জিহাদ/জমি জিহাদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। তাই তারা লড়াই করে নিজের জমি বাঁচায় এবং জিহাদীদের আহত করে।



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close