সন্দেশখালির ইস্যুতে উঠছে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করতে দিল্লী গেলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল।



পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) সন্দেশখালির পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। মিডিয়াকে চাপ দিয়ে সন্দেশখালির ঘটনার উপর যতই ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা করা হোক না কেন, সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে একের পর এক খবর সামনে আসছেই। যদিও এখন সন্দেশখালিতে ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বসিরহাটের সন্দেশখালিতে ৫ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। তপন মন্ডল, সুকান্ত মন্ডল, প্রদীপ মন্ডল সহ আরো দুজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে বিজেপির তরফে। আগ্নেয় অস্ত্র দিয়ে সরাসরি মাথায় গুলি করে এই বিজেপি কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা শাহাজান শেখের নেতৃত্বে ১৫০০ জন মতো জিহাদি গুন্ডা তান্ডব চালায়।

স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছে, শাহাজান শেখের নির্দেশ মতো চলছে জিহাদ। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, এত হত্যা, এত অভিযোগের পরেও পুলিশ শাহাজান শেখকে গ্রেপ্তার করেনি। যার জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয় থাকার প্রসঙ্গ স্বাভাবিক ভাবেই উঠে এসেছে। অনেকের দাবি ঘটনাটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলা হলেও এটা আসলে সাম্প্রদায়িক হিংসায় পরিণত হয়েছে। পুরো ঘটনার রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের জারির দাবিও লাগাতার তীব্র হচ্ছে। এর মধ্যে আরো একটা খবর সামনে আসছে যার উপর রাজ্যের মানুষ নানা অনুমান করতে শুরু করেছে।

আসলে আজ রাজপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি দিল্লীর উদ্যেশে রওনা দিয়েছেন।
দিল্লীতে অমিত শাহের সাথে বৈঠকে বসবেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠি একদিকে রাজ্যে যখন রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তীব্র হচ্ছে তখণ রাজ্যপালের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠককে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজনৈতিক মহলে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সর্বত্র রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তীব্র হয়ে উঠেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর বৈঠকে সন্দেশখালির ইস্যু উঠবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close