আতঙ্কবাদী ও পাথরবাজদের ফান্ডিং করা J&K ব্যাঙ্কের উপর অমিত শাহের একশন শুরু! হতাশ মেহেবুবা- আব্দুল্লাহ।



আতঙ্কবাদ, পাথরবাজদের ফান্ডিং J&K ব্যাঙ্কের ( J&K Bank) মাধ্যমে হতো বলে বার বার অভিযোগ উঠে এসেছে। স্বাধীনতার নামে এই ব্যাঙ্ক নিজের ইচ্ছামতো কাজ করতো বলে অভিযোগ রয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর সরকার পুনরায় ফিরে আসতেই এবং অমিত শাহ (Amit Shah) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথে দুর্নীতিগ্রস্থ সংস্থার উপর একশন শুরু হয়েছে। এখন সেই ব্যাঙ্কের উপর লক্ষণীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এন্টি কারাপশন ব্যুরোর টিম লাগাতার তৃতীয় দিন J&K Bank এর হেডকোয়াটারে তল্লাশি জারি রেখেছে। প্রথম ২ দিনে ASB এর টীম পূর্ব চেয়ারম্যান পারভেজ আহমেদের অফিসে ফাইলের উপর তল্লাশি চালায় একইসাথে হিউম্যান রিসোর্সের ১০০ থেকে বেশি ফাইলকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী HR ডিপার্টমেন্টাল অফিসকে শীল করে দেওয়া হয়েছে। মেহেবুবা জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এখানে ১২০০ কর্মচারীর নিযুক্ত করা নিয়ে জালি তথ্য সামনে এসেছে। নিযুক্তকরণের উপর দুর্নীতি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে। ASB এর টীম আধিকারিকদেরকে তদন্তের জন্য হেফাজতে নিতে পারে।

এর মধ্যে নতুন চেয়ারম্যান RK চিব্বারের নেতৃত্বে দ্রুতগতিতে প্রশাসনিক শুদ্ধিকরণের কাজ চলছে। রাজ্য সরকার শনিবার দিন ব্যাঙ্কের রাজ্য সরকারের প্রতি জবাবদিহি ঠিক করে ফেলেছে। ব্যাঙ্ককে আরটিআই এর সীমার মধ্যে আনা হয়েছে। J&K এর ব্যাঙ্কের উপর কার্যবাহী নিয়ে ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহেবুবা মুফতি দুজনেই হতাশ  ও আক্রোশিত হয়ে রয়েছে। দুই নেতার দাবি রাজনীতি প্রতিহিংসার মাধ্যমে সরকার কিছুজনকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছে। বলা হচ্ছে তদন্তে দুজনেই দুর্নীতি সামনে আসতে পারে, এই কারণে দুজন কার্যবাহীর উপর প্ৰশ্ন খাড়া করতে শুরু করেছে।

আতঙ্কবাদীদের ফান্ডিং এর অভিযোগে জড়িত J&K ব্যাঙ্কের হেডকোয়াটার বদলে দেওয়া এবং তল্লাশি চালানোর পর ব্যাঙ্কের বেলাগাম আজাদি (স্বাধীনতা) শেষ করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের নেতৃত্বে স্টেট এডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিল ব্যাঙ্কের জন্য নতুন আদেশ জারি করেছে। যার মাধ্যমে J&K ব্যাঙ্কের জবাবদিহি সরাসরি রাজ্য প্রশাসনের প্রতি নির্ধারিত করা হয়েছে। নতুন পরিবর্তন অনুযায়ী J&K ব্যাঙ্ক লিমিটেড এখন পাবলিক সেক্টর আন্ডার টেকিং ইন্সটিটিউশনের মতো কাজ করবে। J&K ব্যাঙ্কের মাধ্যমে দেশবিরোধী শক্তি নিজের শিকড় মজবুত করতো বলে অনেকের দাবি। তাই এখন J&K ব্যাঙ্কের উপর লাগাম লাগানো অত্যাবশ্যক ছিল বলেই মত প্রকাশ করছে বিশেষজ্ঞরা।



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close