অখিলেশ সেজে মণীষাকে বিয়ে করেছিল রমজান! দুই বাচ্চা জনাম হিউয়ার। পর তিন তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল যুবতীকে।



ঝাড়খণ্ডে হাজারিবাগের চরহি থানার এলাকা থেকে এক চমকে দেওয়া ঘটনা সামনে এসেছে। এক মুসলিম ব্যাক্তি নিজেকে হিন্দু বলে দাবি করে হিন্দু যুবতীকে প্রথমে বিয়ে করে তারপর পরে নিজের আসল পরিচয় দেয়। তৎপর জোরপূর্বক হিন্দু যুবতীর ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে দেয়। আর এখন পাঁচ বছর পর মুসলিম ব্যাক্তিটি ‘ তিন তালাক’ দিয়ে সেই মহিলা ও তার দুটি বাচ্চাকে বাড়ি দিয়ে বার করে দেয়। এই অসহায় মহিলার নাম হলো মণীষা যাদব, যিনি উত্তর প্রদেশের আজমগড় এর বাসিন্ধা।
দৈনিক জাগরণের খবর অনুযায়ী, মনীষা যাদব পুলিশের কাছে মৌখিক অভিযোগ করে ও তিনি বলেন যে পাঁচ বছর আগে চহরির পিপড়া তে থাকা ট্রাক ড্রাইভার রমজান আনসারী ট্রাকে কয়লা নিয়ে আজমগড় যেত। সেখানেই দুজর আলাপ-পরিচয় হয়েছিল। মনীষা জানিয়েছে রমজান নিজেকে হিন্দু বলেছিল এবং নিজের নাম বলেছিল অখিলেশ যাদভ, আর তারপর তারা প্রেম বিবাহ করে নেয়।

পরে মনীষা জানতে পারে যে অখিলেশ তাকে মিথ্যে কথা বলেছিল যে তার আসল নাম হলো রমজান আনসারী ও সে আগে থেকেই বিবাহিত ছিল। মনীষা এও জানায় যে, যে বিয়ের পর রমজান তাকে চহরি নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে তাকে রাচিতে রাখে। সেখানে সে তার আসল পরিচয় দেয় এবং মনীষার ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে দেয় ও তারপর মুসলিম নিয়মকানুন অনুযায়ী আবার বিয়ে(নিকাহ) করে। বিয়ের পর মনীষার নাম পাল্টে সাবনাম রাখা হয়।
মনীষা জানান যে তার দ্বিতীয় বাচ্চা জন্মের আগে রমজান তার সাথে খারাপ ব্যাবহার করা শুরু করে দিয়েছিল। রমজান তাকে প্রতিটা মুহূর্তে কথা শোনাতো ও যন্ত্রণা দিত । মনীষা যখন এইসব থেকে বিরক্ত হয়ে এর বিরোধ করে তখন তিনবার তালাক বলে মনীষাকে বাড়ি দিয়ে বার করে দেয় রমজান।

খবরে এই কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে যে মনীষা নিজের বরের বিরুদ্ধে লিখিত কোনো অভিযোগ দাখিল করেনি এবং করবেনও না, কারণ তিনি রমজানের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব রাখেন। মনীষা নিজের স্বামী রমজান আনসারীর থেকে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা জীবন চালানোর জন্য ও ৪০ হাজার কমিটির জন্য দাবি করেছেন। রমজান এই টাকা দেবে বলে মৌখিক রূপে রাজি হয়েছে, তাই এই মামলায় উপর কোনো রকম কেস দায়ের করা হয়নি



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close