রাজ্যের নামি স্কুলে পড়ুয়াদের সাথে ধর্ম জুড়ে কট্টরপন্থী চিন্তাধারা উস্কাচ্ছেন মুসলিম প্রিন্সিপাল, সরব অভিভাবকেরা



জয় শ্রী রাম আর হিন্দু মুসলিম নিয়ে দেশ জুড়ে যখন তোলপাড় চলছে। তখন এরাজ্যের একটি নামি স্কুলে পড়ুয়া আর অভিভাবকদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম নিয়ে বৈষম্য করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, স্কুলের রেজিস্টারে পড়ুয়াদের নামের কলামে হিন্দু-মুসলিম উহ্য করা করে বৈষম্য করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা রাজ্যের আসানসোল শহরের। সেখানে একটি নামি স্কুলে বাচ্চাদের নামের সাথে ধর্ম যোগ করে তাঁদের আলাদা করার অভিযোগ তুলেছে অভিভাবকেরা।

এই অভিযোগ নিয়ে শনিবার স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা বিক্ষোভ দেখায়। শিক্ষকেরা জানায়, স্কুলে যখন থেকে ফাতিমা নামের প্রিন্সিপাল এসেছেন, তখন থেকেই রাজনৈতিক ধুবিকরন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কখনো জয় শ্রী রাম, তো কখনো আল্লহু আকবর ধ্বনি নিয়ে স্কুলে শিক্ষক আর পড়ুয়াদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা বাধছে।

শুধু তাই নয়, স্কুলের শিক্ষকদের সাথে সাথে অভিভাবকদের অভিযোগ যে, স্কুলের মোট ৮০০ এর মতো পড়ুয়াদের মধ্যে পেরেন্টস মিটিং এ শুধুমাত্র ৭ থেকে ৮ জন মুসলিম অভিভাবকদের সমস্যা শোনার জন্য ডাকা হয়। বাকি অভিভাবকদের মিটিং এ ডাকা হয়না। শুধু তাই নয়, হিন্দু আর মুসলিম পড়ুয়াদের মধ্যে ভেদাভেদের মধ্যে স্কুলের শিক্ষকেরা অভিযোগ তুলে বলেন যে, স্কুলের অন্য মুসলিম শিক্ষক আর মুসলিম পড়ুয়া আর মুসলিম স্টাফদের জন্য নামাজ পড়ার ও ব্যাবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, নামাজ পড়ার ব্যাবস্থার সাথে পড়ুয়াদের মধ্যে মতভেদ তৈরি করে হিন্দু – মুসলিমে বিভাজন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আর এর জন্য মুখ্য রুপে দায়ে স্কুলের প্রিন্সিপাল ফাতিমা। অভিভাবকেরা জানান যে, স্কুলে এখন থেকেই বাচ্চাদের মধ্যে যদি এমন ভাবে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়, তাহলে এরা বড় হয়ে কোনদিনও এক হতে পারবে না। এরকম ভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোনদিনও রক্ষা হবেনা।

 



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close