মোদী সরকার দেশের হিতে কাজ করছে- এই বার্তা দিয়ে ৮৮ NLFT জন বিদ্রোহী করলো আত্মসমর্পণ।


বিদেশী শক্তি যুগ যুগ ধরে ভারতকে খন্ডে খন্ডে ভাঙার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর দেশের মহাপুরুষরা সময়ে সময়ে বিদেশী ষড়যন্ত্রকে ভেদ করে দেশের অখণ্ডতা বজায় রেখেছে। হিন্দুস্থানের একতা এবং অখন্ডতা র জন্য একটার পর একটা বিষয় ধরে তুলছে কেন্দ্রের মোদী সরকার আরেকটি বড় সফলতা পেয়েছে। কয়েকদিন আগেই মোদি সরকার কাশ্মীর থেকে ধারা 370কে সরিয়ে দেওয়ার পর সেটিকে সম্পূর্ণ রূপে ভারতের সাথে মিলিয়ে নিয়েছে। আর এখন উত্তরপূর্ব ভারত থেকে একটা বড়ো খবর সামনে আসছে।

উত্তর পূর্ব ভারতে একসাথে ৮৮ বিদ্রোহী হাতিয়ার ফেলে সাধারণ জীবনে আসার জন্য তৈরি হয়েছে। এই বিদ্রোহীরা বলেছে যে যখন মোদি সরকার আছে তবে লড়ার কোনো দরকার নেই কারণ  দেশ ভালো দিকে যাচ্ছে। এই বিদ্রোহীরা মূলত আলাদা ভূখণ্ডের( ত্রিপুরী দেশের) দাবিতে ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতো। বহু খ্রিস্টান মিশনারি থেকে এই বিদ্রোহীরা ফান্ড পায় ভারতকে ভাঙার জন্য। বলা হয়, মিশনারি গুলি রাজ্যের লোকজনকে ব্রেনওয়াশ করে আর দেশের বিরুদ্ধে কাজে লাগায়।

খবর অনুযায়ী পূর্বউত্তর বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরার উগ্রবাদী সংগঠন ন্যাশনাল লিব্রেশন ফ্রট অফ ত্রিপুরার ৮৮ সদস্য ১৩ আগস্ট সরকারের সামনে আত্ম সমর্পন করছে। এই সংগঠনের শুরু ৩০ বছর আগে হয়েছিল এবং সময় সময় উগ্রবাদী গতিবিধিকে সঞ্চালিত করতে থাকত। কিন্তু এখন এই সংগঠন ভারত সরকারের সাথে শান্তির চুক্তি করতে যাচ্ছে। এর অধীনে এই সংগঠনের ৮৮ জন সদস্য একসাথে আত্মসমর্পন করছে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী,  ত্রিপুরার উগ্রবাদী সংগঠন ন্যাশনাল লিব্রেশন ফ্রট অফ ত্রিপুরা NLFT (SD) এখন উগ্রবাদের রাস্তা ছেড়ে শান্তির রাস্তা ছেড়ে শান্তির রাস্তায় চলার নির্ণয় করেছে। এর অধীনে এবার এই উগ্রবাদী সংগঠনের সব সদস্য নিজের হাতিয়ার সমেত সারেন্ডার করার সাথে ভারতীয় সংবিধানকে মেনে চলবে। এছাড়া কেন্দ্র সরকারের পক্ষ দিয়ে ত্রিপুরার জনজাতি এলাকার বিকাশ করার জন্য আর্থিক বিকাশ করার কথা বলা হয়েছে।

এর জন্য সংগঠনের লোক কেন্দ্র সরকারের সাথে চুক্তি পত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছে এবং বলেছে পিএম মোদির নেতৃত্বে দেশ সঠিক দিশায় আগে বাড়ছে, তাই জন্য এবার তারা সংবিধানের রাস্তায় চলবে। সংগঠনের সাথে গৃহমন্ত্রালয়ের জয়েন সেক্রেটারি সত্যেন্দ্র গর্গ, অতিরিক্ত চিফ সেক্রেটারি কুমার আলোক, ত্রিপুরা সরকারের সাথে  NLFT (SD) এর পক্ষ দিয়ে সবির কুমার দেববর্মা এবং কাজল দেববর্মা সেটেলমেন্ট মেমোরেন্দমে স্বাক্ষর করেছে। এরপর এই সংগঠনের সদস্যকে কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লী তেও ডেকেছে। NLFT এর হাতিয়ার ত্যাগ করা এবং সংবিধানের রাস্তাকে মোদি সরকারের বড় জয় মনে করা হচ্ছে।





Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close