ভারতের প্রবল চাপে অপহরণ করা শিখ মেয়েকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হলো পাকিস্তানের কট্টরপন্থীরা।


পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নানকানা সাহেবে শিখ মেয়েকে অপহরণ করেছিল পাকিস্তানি মুসলিম কট্টরপন্থী। অপহরণ করে শিখ মেয়েটিকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য  করা হয়েছিল। একই সাথে মেয়েটিকে মুসলিম ব্যাক্তির সাথে নিকাহ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনা সামনে আসার পর ব্যাপক বিরোধিতা শুরু হয়। এই ইস্যুতে ভারতে বিরোধিতার পর পাকিস্তান এই মামলায় ব্যবস্থা নিয়েছে।  শিখ মেয়েটি এখন তার পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছেছে। ভারতে শিখ সংগঠন, সাধারণ জনতার ব্যাপক প্রতিবাদের দরুন মেয়েটিকে ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তানের কট্টরপন্থীরা।

নানকানা সাহেব পুলিশ এই মামলায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে কট্টরপন্থীরা। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে কথা বলে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। মেয়েটির বাবা নানকানা সাহেবের গুরুদ্বার তম্বু সাহেবের প্রধান লেখক। তিনি পুলিশে অভিযোগ করেন যে ২৭ শে আগস্ট রাতে সশস্ত্র লোকেরা বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ১৯ বছর বয়সী কন্যা জগজিৎ কৌরকে অপহরণ করে এবং এক মুসলিম যুবতীকে জোর করে শ্লীলতাহানি করে।

মহম্মদ হাসান নামের যে ব্যক্তির সাথে শিখ মেয়েটির নিকাহ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই ব্যাক্তিটি মুম্বাই হামলায় মাস্টার মাইন্ড হাফিজ সাঈদের সংগঠনের সাথে যুক্ত। শিখ মেয়ে অপহরণের পর ভারতের সমস্থ শিখ সংগঠনগুলি একত্র হয়ে প্রতিবাদ জানায়। শেষমেস পাকিস্তান সরকার বাধ্য হয় মেয়েটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নিতে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিং পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, পাকিস্তানে প্রায় প্রত্যেকদিন হিন্দু মেয়ে অপহরণের ঘটনা ঘটে। কিন্তু সেই ইস্যুতে হিন্দু সমাজ এত প্রবল প্রতিবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়।





Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close