দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানাতে ‘ত্রিনয়নী মাতৃমূর্তি’র কার্ড আঁকলেন মমতা ব্যানার্জী



নিজেকে শিল্পি বলেই পরিচিত দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। ওনার আঁকা ছবি গুলো কখনো রাষ্ট্রপতি তো কখনো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নিজের হাতে উপহার দেন তিনি। এমনকি ওনার আঁকা ছবি দুই কোটি টাকাতেও বিক্রি হয়েছে। আর সেটা কিনেছিলেন সারদা কর্তা সুদিপ্ত সেন। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ছবি আঁকা ছাড়া, গান, কবিতা এবং বই লিখে সময় কাটান এমনকি তিনি ছবি এঁকে আর বই লিখে দলও চালান। এমনকি কিছু কিছু বাজনা বাজানোর শখও আছে ওনার। আমরা ওনার কয়েকটি বাজানা বাজানোর ভিডিও দেখেছি সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী নিজের এই অসাধারণ প্রতিভার ব্যাবহার রাজ্যের মানুষদের দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানানোর জন্য করছেন। শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে ঘরে ঘরে কার্ড পাঠাচ্ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। সেই কার্ডে আঁকা আছে ত্রিনয়নী মাতৃমূর্তি। আর সেই ছবি এঁকেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে আঁকা সেই কার্ড নিয়ে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবেন তৃণমূল জনপ্রতিনিধিরা।

মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা সেই কার্ডে মহালয়া, শারদীয়া এবং দীপাবলির আগাম শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রিয় আকাশি নীল রঙের কার্ডে মাতৃমূর্তির ছবি এঁকেছেন তিনি। ওই কার্ডে বাংলা ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি। মাতৃমূর্তির শরীরে বাংলা বর্ণমালা যেন অলঙ্কারের মতো শোভা পাচ্ছে। রাজ্যের বিদ্বজনেরা মনে করছেন যে, ওই কার্ডের মাধ্যমে রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলা” করার বার্তাকে সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে সাক্ষাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী রাজ্যের নাম বাংলা করার জন্য আবেদন করেছিলেন বলে সুত্রের খবর।

বাঙালির সেরা উৎসবের মরশুম যেন সবাই সুখের কাটে, সেই জন্য প্রার্থনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। এছাড়াও রাজ্যে অসাম্প্রদায়িকতাকে দূরে সরিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করেছেন তিনি। আপাতত ৩০০ কার্ড ছাপানো হয়েছে, আর এই কার্ড মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৃণমূল কাউন্সিলরদের উপর দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close