দুর্গা-মন্দিরে ভাঙচুর চালিয়ে দেবী দুর্গার মূর্তি কেটে নিল কট্টরপন্থীরা! গ্রেফতার এক যুবক।


প্রাচীনকাল থেকে ধর্ম ও সংস্কৃতির দিক থেকে ভারতের সবথেকে উন্নত প্রদেশ ছিল বঙ্গদেশ। পরবর্তীকালে সবথেকে বেশি আক্রমন এই বঙ্গদেশের উপর করা হয়েছে। ইংরেজরা এসে বঙ্গদেশকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে দেয়। এরপর বেঁচে থাকা বাংলার হিন্দু বাঙ্গালীদের বাঁচানোর বাংলাদেশ ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ। মূলত বাঙালি হিন্দুদের বাসভূমি তৈরি করতে পশ্চিমবঙ্গের গঠন করা হয়। কিন্তু হিন্দুদের জন্য তৈরি হওয়া পশ্চিমবঙ্গেও এখন পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে শুরু হয়েছে। হিন্দুরা আবার যেন কোণঠাসা হতে শুরু হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থেকে এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে আসছে। কেতুগ্রামের নিরোল পঞ্চায়েতের শ্রীরামপুর গ্রামের সরকার পরিবারের পূজো ৩০০ বছরের প্রাচীন। পরিবারের পুজো হলেও পুরো গ্রাম এই পুজোয় অংশ নেয়। আর এখানেই উৎপাত চালিয়েছে কট্টরপন্থীরা।
সেখানে কট্টরপন্থীরা উৎপাত চালিয়েছে বলে খবর আসছে। মা দুর্গার মাথা কেটে নিয়ে দূরে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দূর্গা মন্দিরের গেটে তালা লাগানো ছিল। কিন্তু জানালা ভেঙে কট্টরপন্থীরা মন্দিরে ভাঙচুর চালায়। দুর্গা দেবীর পাশাপশি অন্য দেব দেবীর মূর্তির উপরেও ভাঙচুর চালানো হয়।

মন্দিরের আশেপাশে মা দুর্গার মাথা পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষমেষ গ্রামবাসীরা দেবী দুর্গার মাথা এক পুকুরের পাড় থেকে উদ্ধার হয়। মঙ্গলবার রাতে মন্দিরে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এরপর বুধবারদিন সকালে দেখা যায় এমন ঘটনা ঘটেছে। সামনে থাকা কালী মাতার বেদীকেও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি থানায় জানানো হয়েছে এবং তদন্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমে পড়েছে। এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।



Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close